January 23, 2021 || 1:12 pm

এই মসজিদে 70 জন নবী নামাজ আদায় করেছেন

al-kahf নামে মসজিদে ৭০ জন নবী নামাজ আদায় করেছেন।

 

হজের সময় শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কংকর নিক্ষেপ করে।

 

শয়তানের এই প্রতীকী স্তম্ভের কাছাকাছি “আল খায়েফ” মসজিদটি  অবস্থিত।

 

আর এই মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন ৭০ জন নবী।

 

সওর পাহাড়ের বিপরীত দিকেে আল কায়়ে়ফ মসজিদটি অবস্থিত।

 

খায়েফ শব্দের অর্থ “পাহাড় থেকে নিচু এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঁচু”

 

বিশাল এবং সুদর্শন মসজিদটি হাজীদেরকে মনে করিয়ে দেয় ইতিহাসের অনেক ঘটনাকে।

 

মসজিদের উঁচু মিনার গুলো দেখে মনে হয় পাহাড়ের  সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

 

হাদীসে আছে মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন এবং এখানে ৭০ জন নবী সমাহিত হয়েছেন।

 

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  বিদায় হজে মসজিদে খায়েফে নামাজ আদায় করেছেন।

 

এই মসজিদের অনেক ফজিলত এর কথা উল্লেখ আছে।

এই মসজিদটি মক্কার কাফেরদের বিরুদ্ধে বিজয়ের একটি স্মৃতি চিহ্ন

 

ইতিহাস সাক্ষী দেয়, ৫ম হিজরিতে ইহুদিদের প্ররোচনায় মক্কার কাফেররা মদিনায় হামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়।

 

এ লক্ষ্যে তারা কিছু আরব গোত্রের সঙ্গে সন্ধি চুক্তি করে।

 

এই সন্ধি চুক্তি করার জন্য মক্কার কাফেররা যে স্থানটি বেছে নেয় পরে সেখানেই এই মসজিদ নির্মিত হয়।

 

মূলত মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফের গোত্রগুলোর ঐক্যের ব্যর্থতার নিদর্শন হিসেবে মসজিদটি দাঁড়িয়ে প্রতিনিয়ত ঘোষণা করছে, ইসলামের বিজয়গাঁথা ইতিহাসকে।

 

হযরত মুহাম্মদ  (সা.) খায়েফ মসজিদের যে জায়গায় দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেছিলেন  সেখানে একটি বড় গম্বুজ ও মেহরাব তৈরি করা হয়।

এখন অবশ্য সেটি আর নেই।

 

ঐতিহাসিক বর্ণনায় এসেছে, দুই শত চল্লিশ হিজরীতে প্রলয়ঙ্করী বন্যায় এই মসজিদ ধসে পড়ে।

 

বন্যা শেষ হওয়া মাত্র মসজিদটির দৈর্ঘ্য একশত বিশ মিটার  এবং প্রস্থ ৫৫  মিটার হিসেবে নির্মান করা হয় এবং চারপাশে বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়।

 

ওই সময় আরব অঞ্চলে এটি সবথেকে বড় মসজিদ ছিল।

 

বর্তমান থেকে তিন দশক আগে ১৪০৭ হিজরিতে আল খায়েফ মসজিদ পরিবধন ও পুননির্মাণের এক বিশাল পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

 

মসজিদটির আয়তন আগের থেকে চার গুণ বাড়িয়ে ২৫ হাজার বর্গমিটার আয়তন করা হয়।

 

মসজিদের চার কোণায় চারটি মিনার বিশিষ্ট এই মসজিদে বর্তমান ৩০ হাজার মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন।

 

হজের সময়় মিনায় শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের সময়টাতে মসজিদটি মুসল্লিদের প্রচুর ভিড় দেখা যায়।

 

মসজিদের সামনে স্থাপিত সাইনবোডে বেশ সাতটি ভাষায় লেখা রয়েছে মসজিদের নাম। সেখানে বাংলাতেও লেখা আছে- আল খায়েফ মসজিদ।

Related Posts