February 12, 2021 || 2:56 pm

বিধবা নারীকে বিয়ে করলেই সরকার থেকে দুই লাখ টাকা পাবেন।

আপনিওপেতে পারেন বিধবা নারীকে বিয়ে করে নব 2 লাখ টাকা। ভা’রতের মধ্যপ্রদেশের সমাজ ক’ল্যাণ দফতরের মস্তিষ্কপ্রসূত এই নতুন উদ্যো’গে ৪৫ বছরের নিচে কোনো বিধবা নারীকে বিয়ে করলেই নগদ দুই লাখ টাকা দেওয়ার বি’জ্ঞপ্তি জা’রি হয়েছে।

 

 

ভারতের প্রথম এরকম একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের আশা, বছরে এক হাজার বিধবা নারীর পুনর্বিবাহ সম্ভব এই উদ্যো’গে।

 

তবে বি’জ্ঞপ্তি জা’রি হতেই বিধবা বিবাহের এমন ধুম পড়ছে যে সরকারের কাছে পরিসংখ্যান নিয়ে কোনো তথ্যই নেই।

 

তবে এই উদ্যোগের কারণ কি? বস্তুত, গত জুলাই মাসে সুপ্রিম কোর্ট কে’ন্দ্রকে বিধবা বিবাহে উৎসাহ দিতে নীতি নির্ধারণের প’রাম’র্শ দেয়। কিন্তু কে’ন্দ্রর বদলে মধ্যপ্রদেশ সরকার আগে এই উদ্যো’গ নেয়।

 

এবং তার জন্য আর্থিক প্যাকেজ দেওয়ার কথা ঘো’ষণা করা হয়। যদিও  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এই আইনটি পাশ করেছিলেন।কিন্তু সরকারিভাবে খুব একটা বিধবা বিবাহে উৎসাহ দেওয়ার ঘ’টনা চোখে পড়েনি।

 

সংশ্লি’ষ্ট তহবিলে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দও করেছে শি’বরাজ সিং চৌহানের সরকার। সরকারের ঘো’ষণা অনুযায়ী, ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে কোনো বিধবা নারীকে বিয়ে করলেই পাত্রের হাতে দু লাখ টাকা দেয়া হবে।

 

তবে এ প্রস্তাব রাজ্যের অর্থ দফতরের কাছে পা’ঠানো হয়েছে অনুমোদনের জন্য। তারপর মন্ত্রিসভা’র বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই তিন মাসের মধ্যে এই প্রকল্প চালু হবে।

 

এই প্রকল্পর দুর্ব্যবহার যাতে না হয় তাও নজরে রাখবে রাজ্য সরকার। দু’র্নীতি রুখতে সরকারের নীতি, অবশ্যই পাত্রকে অবিবাহিত হতে হবে। আগের বিয়ে গো’পন করে এই প্রকল্পর সুবিধা নেওয়া যাবে না। দ্বিতীয়ত, জে’লা ক’র্মক’র্তার দফতর থেকে বিয়ের রেজিস্ট্রি পত্র দেখাতে হবে।

 

গ্রাম পঞ্চায়েত বা স্থা’নীয় ক’র্তৃপক্ষর ইস্যু করা প্রমাণ বিবেচ্য হবে না।তার জন্য আর্থিক প্যাকেজ দেওয়ার কথা ঘো’ষণা করে। যদিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্যো’গে ১৮৫৬ সালেই আ’ইন পাস করে বিধবা বিবাহ বৈ’ধ হয়।

 

 

Related Posts