February 10, 2021 || 9:23 pm

মাদ্রাসার বাথরুমে ছাত্রীর লাশ মিলল রংপুরে

 

মাদ্রাসার বাথরুমে মিলল ছাত্রীর লাশ!

 

সুমাইয়া সুলতানা নামের ১৪ বছরের এক মাদ্রাসার শিক্ষার্থী রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে রংপুর বদরগঞ্জে।

এ ঘটনাটি ঘটেছে রংপুর পৌরশহরের যামু বাড়ি পকিহানা খাদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদ্রাসায়। ওই বাথরুমের দরজা ভেঙ্গে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

 

আজ বুধবার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

তার আত্মীয়স্বজন এবং এলাকার লোকজন সূত্রে জানা গেছে পৌরশহরের পকিহানা এলাকার আদরি বেগম এবং মফিজুল ইসলামের মেয়ে সুমাইয়া সুলতানা খুশি।

 

মাদ্রাসাটি ছিল তাদের বাড়ির পাশেই।তাকে চারবছর আগে এই মাদ্রাসায় ভর্তি করানো হয়েছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে খুশি কার সাথে যেন ফোনে কথা বলে কান্নাকাটি করছিল।

ফোনে কথা বলার পর খুশি মাদ্রাসার বাথরুমে যায়।তার সহপাঠীরা ডাকাডাকি করলে সে বাথরুম থেকে বের হয় না ফলে সন্দেহ সৃষ্টি হয়।

 

আজ দরজা ভেঙ্গে খুশিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ওই মাদ্রাসার দুই শিশু শিক্ষার্থী নুসরাত ও উম্মে সায়েবা বলেন, খুশি আপুকে বাথরুমের দরজা দিয়ে বের করা হয়। বাথরুমের ভিতর কাপড় রাখার একটি স্টিলের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল খুশি আপুর। মধ্যে ফেনার মতো বের হয়েছিল।

 

মাদরাসার শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম বলেন, চার বছর আগে খুশির বাল্যবিয়ে হয়।

আমাদের ধারণা খুশির স্বামীর সঙ্গে ফোনে কথা কাটাকাটি নিয়ে সে বাথরুমে ঢুকে আত্মহত্যা করে।

 

খুশির মা আদুরী বেগম বলেন, ‘আমার মেয়ে খুব সরল ছিল। কারো সঙ্গে ও ঝগড়া করতো না।

খুশির মা আরো বলেন বাথরুমের ভেতর আমার মেয়ে বসা অবস্থায় ছিল, আমার মেয়ে অবস্থায় কিভাবে গলায় ফাঁস দিতে পারে। এটা আমি বিশ্বাস করি না।

 

বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) নাজমুল হোসাইন বলেন, মৃত্যৃ অবস্থায় মেয়েটিকে হাসপাতালের নিয়ে আসা হয়।

 

গলায় সামান্য দাগ ছিল। রাতেই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

ঘটনাটি অনেকটা রহস্যজনক বলে মনে করেন থানার উপ-পরিদর্শক রুহুল আমিন।

মানুষের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।তবে এখনো পর্যন্ত তার মা-বাবা এবং আত্মীয়-স্বজন কেউই থানায় কোন অভিযোগ করেন নি ।

 

 

Related Posts