February 6, 2021 || 3:59 pm

মিয়ানমারে বন্ধ হল এবার টুইটার এবং ইনস্টাগ্রাম

আগে ফেসবুক তারপর  এবার টুইটার ও ইনস্টাগ্রাম ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।

 

‘পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত’ গ্রাহকদের ওই দুটি সাইটে (টুইটার এবং ইনস্টাগ্রাম) ঢোকা থেকে বিরত রাখতে বলা হয়েছে বলে দেশটির প্রধান ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিনর নিশ্চিত করছে।

 

বিবিসি জানিয়েছে, ‘স্থিতিশীলতার’ লক্ষ্যে এর আগে বৃহস্পতিবার ফেসবুক ব্লক করার নির্দেশ দেন অভ্যুত্থানের নেতারা।

 

দেশটির ৫ কোটির বেশি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে।

 

বর্তমানে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে লোকজন যেভাবে বিক্ষোভ করছে তার ছবি আর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় বিক্ষোভ-প্রতিবাদ আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে এই প্লাটফর্ম দুটি বন্ধ রেখেছে।

 

প্রথমে ফেসবুক বন্ধ করায় দেশের লোকজন ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারে ঝুঁকে পড়ে তারপরেই এই প্ল্যাটফর্ম দুটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

 

এই দুটি প্লাটফর্মেই অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করে তারা তাদের মতামত প্রকাশ করছিলেন।

 

এরপর শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১) স্থানীয় সময় রাত ১০টা থেকে টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে আর ঢোকা যায়নি।

 

এই দুটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের বিষয়ে অভ্যুত্থানের নেতারা কোনো মন্তব্য করেননি।

 

তবে এএফপি জানিয়েছে, মন্ত্রণালয়ের অসমর্থিত একটি নথিতে বলা হয়েছে, এখানে লেখা আছে টুইটার ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে ‘সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে’।

 

আবার এদিকে মিয়ানমারে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নেতাদের আটক করার কারণে সাধারণ জনগণের মধ্যে বিক্ষোভ ক্রমেই প্রখর রূপ দিচ্ছে ।

 

গত শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকরা ইয়াঙ্গুনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান এবং অং সাং সু চির পক্ষে স্লোগান দেন।

 

গত বছরের নভেম্বরের নির্বাচনে অং সান সু চির এনএলডি সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

 

তারপর থেকেই মূলত দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা।

 

প্রথম থেকেই সেনাবাহিনী নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ করে আসছে। নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ এনেই মূলত সোমবার ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী।

 

সেই সাথে  সমগ্রহ দেশজুড়ে এক বছরের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

 

 

Related Posts