যে সাধারণ সমস্যা স্ট্রোকের ঝুঁকি তিন গুন বাড়াতে পারে

অতিরিক্ত শু’চিবায়ুর সমস্যা থাকলে সাবধান হয়ে যান।

কারণ সাম্প্রতিক গবে’ষণার ফলাফল অনুযায়ী, ‘অবসে’সিভ কমপালসিভ ডিজঅর্ডার (ওসিডি)’ থাকলে স্ট্রো’ক হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

‘স্ট্রো’ক’ শীর্ষক সাম’য়িকীতে এই গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে ‘বেস্টলা’ইফডটকম’ তাদের প্রতিবেদনে জানায়- উচ্চ রক্ত’চাপ, উচ্চ কোলে’স্টেরল, ধূমপান, স্থূলতা ও ডায়া’বেটিস ছাড়াও এই ‘ওসিডি’ মানসিক সমস্যার কারণে ‘এসকেমেক স্ট্রোক’য়ের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে তিনগুন।

‘ইউ.এস ন্যাশ’নাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন’ বলে, “রক্ত জমাট বেঁধে মস্তি’ষ্কের রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেলে ‘এসকেমেক স্ট্রোক’ হয়।”

‘আমেরি’কান হার্ট অ্যাসো’সিয়েশন’য়ের করা এই গবেষণাতে, সেই মানুষ’গুলোর স্ট্রোক করার ঝুঁকি পর্যালোচনা করেছে যাদের ‘ওসিডি’ আছে।

‘তাইওয়ান ন্যাশ’নাল হেল্থ ইন্সুরেন্স রিসার্চ ডাটাবেইজ’ থেকে গবেষ’করা ২৮ হাজার ‘ওসিডি’তে আক্রা’ন্ত প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের সঙ্গে আরও ২৮ হাজার মানুষ যাদের স্বা’স্থ্য সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই, তাদের সঙ্গে তুলনা’মূলক পর্যবেক্ষণ চালান।

২০০১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত নেওয়া তথ্য পর্যালো’চনা করে দেখা হয়, এদের মধ্যে কারা ‘এস’কেমেক’ কিংবা ‘হেমোরে’জিক স্ট্রোক’য়ে আক্রান্ত হয়েছেন।

‘এসকেমেক স্ট্রোক’ সব’চাইতে বেশি হয়, আর এই গবেষণা অনুযায়ী ‘ওসিডি’ এই ধরনের স্ট্রোক’য়ের একটি স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ কারণ।

 

গবেষ’ণায় আরও জানা যায়, মধ্যবয়স্ক ও বৃদ্ধ ‘ওসিডি’ রোগীদের এই স্ট্রোকের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

‘ওসিডি’ নেই এমন মানু’ষদের চাইতে চল্লিশের নিচের বয়সি ‘ওসিডি’তে আক্রান্ত’দেরও স্ট্রোকের ঝুঁকি আছে।

আবার ৪০ থেকে ৫৯ বছর যাদের বয়স তাদের মধ্যে যাদের ‘ওসি’ডি’ আছে তাদের স্ট্রো’ক করার সম্ভাবনা যাদের এই রোগ নেই তাদের তুলনায় ২.৭ শতাংশ বেশি।

যাদের বয়স ৬০ বা তারও বেশি তাদের ঝুঁকি ৩.৫ শতাংশ বেশি।

২০১৩ সালের এক গবেষণায় ১০৪ জন ‘ওসিডি’তে আ’ক্রান্ত রোগীর ‘মেটাবলিক সিন্ড্রোম’ পর্যবেক্ষণ করা হয়।

দেখা যায়, এদের মধ্যে ৩৬.৫ শতাং’শের পেটে চর্বির মাত্রা বেশি, ৪২.৩ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত, ২৩.১ শতাংশে’র কোলেস্টেরল বেশি, ৪.৮ শতাং’শের আছে ‘হাইপারগ্লাই’সেমিয়া’।

‘জেনারেল হসপিটাল সায়’কায়াট্রি’ শীর্ষক সাময়িকীতে এই গবেষণা প্র’কাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Related Posts