November 29, 2020 || 8:05 am

সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, ভাস্কর্য বা মূর্তির বিরোধিতা বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা নয়

মাদ্রাসার 18 জন ছাত্রকে আটকে রাখা এবং মিছিলে  পুলিশের হামলায়

তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

 

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।

 

শনিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ভাস্কর্য বা মূর্তির বিরোধিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরোধিতা দুটি বিষয় এক নয়।

 

এই সামান্য বিষয় তাছাড়া বুঝতে পারেনা তারাই দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করছে।

 

মাদ্রাসাছাত্র মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ খুবই দুঃখজনক ঘটনা।

 

নিরীহ মাদ্রাসাছাত্রদের মিছিলে এরকম লাঠিচার্জ ঠিক হয় নাই।

 

তিনি অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত মুসল্লিদের মুক্তির দাবি করেন।

 

ফয়জুল করীম বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাদের বিরুদ্ধে শাহবাগ ও চট্টগামে ছাত্রলীগ, যুবলীগকে মাঠে নামিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করে সরকার অত্যন্ত খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এটা অত্যন্ত নিন্দিত কাজ।

 

ছাত্র-যুবলীগ সারা দেশে যখন ধর্ষণের রাজত্ব কায়েম করেছে, তখন তাদের নিয়ন্ত্রণ ও নিবৃত না করে ওলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে উসকে দিয়ে সরকার অত্যন্ত ন্যক্কারজনক কাজ করেছে।

 

মুফতি ফয়জুল করীম আরও বলেন, ওলামায়ে কেরাম শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যবিরোধী নন, তারা সব মানবমূর্তি বা ভাস্কর্যের বিরোধী।

 

দেশের আলেম ওলামারা বঙ্গবন্ধুসহ দেশ, জাতি ও মানবতার কল্যাণ চায় বলেই তার বিরোধিতা করছেন এবং ওলামায়ে কেরাম মূর্তি ও ভাস্কর্যের বিষয়ে খোলামেলা বিশ্লেষণ করে জাতিকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন।

 

 

ভাস্কর্য বা মূর্তি অকল্যাণের প্রতীক। এতে কোনো শান্তি ও কল্যাণ নেই।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ বানিয়ে তাকে স্মরণীয় করে রাখুন।

এতে প্রতিনিয়ত তার আত্মায় সওয়াব পৌঁছতে থাকবে।

 

ফয়জুল করীম আরও বলেন, অনেক বুদ্ধিজীবী মূর্তিবিরোধীদের বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে দাঁড় করানোর অপচেষ্টা করছেন।

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বঙ্গবন্ধু আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

ইতোপূর্বে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা হাইকোর্টের সামনে থেকে মূর্তি অপসারণে যেমন আন্দোলন করেছেন, এখন ধোলাইপাড়ে নতুন মূর্তি স্থাপনসহ সারা দেশে নির্মিত মানবমূর্তির বিরোধিতা করছেন।

 

Related Posts